33 C
Guwahati
Tuesday, September 27, 2022
More

    হাসিনা-মোদি বৈঠক ১৭ ডিসেম্বর, স্থান পাবে জল ও সীমান্ত সমস্যা

    ঢাকা, ১৪ ডিসেম্বরঃ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে আগামী ১৭ ডিসেম্বর ভার্চুয়াল বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এদিন চিলাহাটি ও হলদিবাড়ি রেলপথেরও উদ্বোধন করবেন দুই প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি বৈঠকে জল, সীমান্তে অনিশ্চয়তা সহ বড় ইস্যুগুলো আলোচনায় তুলতে চায় ঢাকা। একইসঙ্গে বিজয়ের মাসকেও বড় করে তুলে ধরা হবে। সাংবাদিক  বৈঠকে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এসব কথা জানান। সমুদ্রসীমা ও জল কূটনীতি সহ একাধিক বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া একাধিক প্রকল্প উদ্বোধন করা হবে। বিদেশমন্ত্রী বলেন, ‘বিগত কয়েক বছর ধরে ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক সোনালি অধ্যায়ে বিরাজ করছে। বাংলাদেশের বড় বড় যতগুলো সমস্যা যেমন স্থল সীমানা, সমুদ্র সীমা, জল সমস্যাগুলো আমরা ভারতের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে অনেকটাই সমাধান করেছি। বিশ্বে একটা উদাহরণ সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছি,  যে দুই প্রতিবেশী দেশ যুদ্ধ, সংঘাত না করে বড় বড় সমস্যার সমাধান করতে পারে। আমাদের মধ্যে যদি আরও কিছু সমস্যা থাকে, তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে পারব।’

    ড. মোমেন বলেন,  ভারত আমাদের সব সময়ের বন্ধু, আমাদের বিজয়ে তাদেরও যথেষ্ট অহংকার করার মতো অবদান আছে। ভারতের সহায়তায় আমরা কিন্তু সেই ১৬ ডিসেম্বরের বিজয় অর্জন করেছি। ভারত যদি আমাদের সাহায্য না করতো তাহলে ইতিহাস অন্যরকম হতে পারতো। শুধু ১৬ ডিসেম্বর নয়, ভারত অনেকদিন ধরে আমাদের সাহায্য করেছে এবং ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী যে অবদান রেখেছেন তা আমাদের অবশ্যই স্বীকার করতে হবে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী কয়েক মাস আগে থেকেই বাংলাদেশের জন্য পৃথিবীর সব রাষ্ট্রনায়কের কাছে চিঠি লিখেছেন।তারপর তিনি শুভেচ্ছা সফরে গিয়েছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইউরোপ, আমেরিকা, রাশিয়া গিয়েছেন এবং বাংলাদেশে নির্যাতনের তথ্য বিশ্বের কাছে তুলে ধরেছেন।বিদেশমন্ত্রী বলেন, পাকিস্তান সরকার যখন ৪ ডিসেম্বর ভারতের ওপর আক্রমণ করল, তখন ভারত যুদ্ধ ঘোষণা করে। ৬ ডিসেম্বর ভারত সরকার বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার প্রধানকে জানাল যে, ভারত বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এগুলো আমাদের জন্য বড় পাওনা। ভারতীয় সৈন্যরা আমাদের মুক্তি সংগ্রামে রক্ত দিয়েছে। সুতরাং আমাদের মধ্যে রক্তের সম্পর্ক, ঐতিহাসিক সম্পর্ক। উল্লেখ করেন মোমেন।

    Published:

    Follow TIME8.IN on TWITTER, INSTAGRAM, FACEBOOK and on YOUTUBE to stay in the know with what’s happening in the world around you – in real time

    First published

    ট্ৰেণ্ডিং