25 C
Guwahati
Thursday, October 6, 2022
More

    সীমান্তে যুদ্ধের পরিস্থিতি, খুলিছড়ায় বাঙ্কার বানাচ্ছে মিজোরাম বাহিনী

    শিলচর, ৩১ অক্টোবরঃ আসাম-মিজোরাম সীমান্তের উত্তেজনাকর পরিস্থিতির কোনও উন্নতি নেই। সীমান্তের অসম অংশে যে এলাকা মিজোরাম তাদের দখলে রেখেছে সেই অংশে বাড়িয়ে তোলা হয়েছে  অতিরিক্ত আইআরপি বাহিনী। রণংদেহি মেজাজে রয়েছে জওয়ানরা। সেই স্থানে গড়ে তোলা হয়েছে বাঙ্কার। এ যেন যুদ্ধের প্রস্তুতি। বৃহস্পতি ও শুক্রবার ওআইএমএ, এমজেডপি সংগঠনের সদস্যদের নিয়ে সীমান্তে বেশ কিছু বাঙ্কার বানিয়েছে আইআরপি বাহিনী। শুক্রবারই নতছাড়া থেকে তুলে নেওয়া দুই কৃষককে ছেড়ে দিয়েছে মিজোরাম পুলিশ। ছেড়ে দেওয়া হয়েছে কনপুইতে আটকে রাখা ট্রাক চালকদেরও।বৃহস্পতিবার আসাম-মিজোরাম সীমান্তের নতছড়া থেকে আকিল আলির ছেলে সাজ্জাদুর রহমান ও  ইরমান আলিকে তুলে নিয়েছিল মিজোরাম পুলিশ। সীমান্তের জঙ্গলে গাছ কাটার অপরাধে তাদের আটক করা হয় বলে মিজো পুলিশ লায়লাপুর পুলিশকে জানায়। অবশেষে শুক্রবার দুপুরের দিকে দুজনকেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

    অসমের ভূখণ্ডে প্রাক্তন বিধায়ক সহ কংগ্রেস নেতাদের পথ রুদ্ধ করে আছে মিজো বাহিনী। সীমান্তের খুলিছড়া সেতুতে, শুক্রবার।

    এদিকে শুক্রবার বিকেলে সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেন কংগ্রেস নেতা শরিফুজ্জামান লস্কর, কাটিগড়ার প্রাক্তন বিধায়ক আতাউর রহমান মাজারভুইয়া, আমরা বাঙালির নেতা সাধন পুরকায়স্থ। এদিন তারা প্রথমে সীমান্তের  তুলারথল নতছড়া থেকে যে দুই কৃষককে তুলে নেওয়া হয়েছিল তাদের খোঁজ নিতে সীমান্তের বাঘেওয়ালা পর্যন্ত যান। সেখানে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। সেখান থেকে ফিরে সীমান্তের খুলিছড়ায় দুষ্কৃতিকারী দ্বারা বোমা হামলার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া  ৯৯০ নম্বর ধলাখাল এলপি স্কুল পরিদর্শন করতে যেতে চাইলে খুলিছড়া সেতুর উপর তাদের বাধা দেয় মিজোরাম আইআরপি বাহিনী। এ নিয়ে দু পক্ষের মধ্যে বেশ গরম কথা বার্তা চলে। এক সময় আইআরপি বাহিনী তাদের দিকে বন্দুক তাক করে আর সামনে না এগনোর হুঁশিয়ারি দেয়।  ফলে তারা আর এগোতে পারেননি। সেখান থেকে ফিরে তারা সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে জানান, মিজোরাম সংবিধানের  যুক্তরাষ্ট্রীয় নীতি লংঘন করেছে। তাদের হাবে ভাবে বুঝা যায় তারা যেন অন্য রাষ্ট্রের বাসিন্দা। শরিফুজ্জামান লস্কর অভিযোগ করেন,  মিজোরাম ভারতবর্ষের একটি রাজ্য না ভেবে তাদের আলাদা রাষ্ট্র হিসেবে মনে করছে।বর্তমানে মিজোরামের সরকারপক্ষ এমএনএফ অতীতে পৃথক রাষ্ট্র গড়ার আন্দোলন করেছিল, তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে  চিন ও মায়ানমারের চক্রান্তে মিজোরামকে ভারত থেকে আলাদা করার পরিকল্পনা হতে পারে বলে সন্দেহ ব্যক্ত করেন তিনি। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে দাবি রাখেন  কোনও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে দিয়ে আসাম-মিজোরাম সীমান্ত পরিস্থিতির তদন্ত করানোর জন্য। এদিন খুলিছড়া থেকে ফিরে সীমান্তের লায়লাপুরে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে মিলিত হয়ে তাদের সমর্থন জানান। 

    Published:

    Follow TIME8.IN on TWITTER, INSTAGRAM, FACEBOOK and on YOUTUBE to stay in the know with what’s happening in the world around you – in real time

    First published

    ট্ৰেণ্ডিং