19 C
Guwahati
Sunday, April 18, 2021
  • হোম
  • ভিডিও
  • টাইমকাষ্ট
More

    লায়লাপুর-কাণ্ডের নেপথ্যে ‘মাররাম’ গঠনের পরিকল্পনা?

    অসম-মিজোরাম সীমান্তের প্রতিটি এলাকাতেই এবার একযোগে মিজো আগ্রাসন শুরু হয়েছে। কাছাড়ের ধলাই এলাকার লায়লাপুরে অসমের জমি দখল করে সেখানকার বসতবাড়িতে আগুন লাগানোর ঘটনায় পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়ে ওঠে।কখন কি হয়, এই আতঙ্কে সীমান্ত এলাকার মানুষের রাতের ঘুম উবে গেছে। মিজোরামের দিক থেকে মাঝে মাঝেই বরাকভূমিতে ছোটখাটো দখলদারির চেষ্টা চালানো হয়। তবে এবার যেভাবে বৃহৎ কলেবরে দখলদারির চেষ্টা চালানো হচ্ছে, এ থেকে চর্চায় চলে আসছে ‘মাররাম’ বা মারভুমি গঠনের প্রসঙ্গ।
    দীর্ঘদিন ধরেই ধলাই সহ বরাকের সীমান্তবর্তী বেশ কিছু এলাকাকে নিজেদের বলে দাবি করে আসছে মিজোরামের বিভিন্ন সংগঠন। খবর অনুযায়ী, এমন দাবির পেছনে রয়েছে ‘মাররাম’ গঠনের পরিকল্পনা।মিজোরামে প্রচুর মার জনগোষ্ঠীর লোকের বসবাস। এদের প্রতি সহানুভূতিশীল হলেও মিজো জনগোষ্ঠীর নেতৃত্বের ভেতরে ভেতরে রয়েছে একটা শঙ্কাও। একসময় না এদের ঘিরেই অস্তিত্বের সঙ্কটে পড়ে যায় মিজো জনগোষ্ঠী। মিজোরামের বিভিন্ন মহলে কান পাতলেই শোনা যায়, মায়ান্মার থেকে যেভাবে প্রতিনিয়ত মার জনগোষ্ঠীর লোকেরা এসে আস্তানা গাড়ছে, এতে একসময় হয়তো মিজোরাই সংখ্যালঘু হয়ে পড়বে মিজোরামে। এই ভাবনা থেকেই, শুরু হয় ‘মাররাম’ গঠনের পরিকল্পনা। একদিকে সহমর্মিতা, অন্যদিকে নিজেদের অস্তিত্ব নিয়ে ভাবনা, সব মিলিয়ে পরিকল্পনা করা হয় বরাকের সীমান্তবর্তী এলাকা সমূহ দখল করে মার জনগোষ্ঠীর লোকেদের বসতি স্থাপন করে পর্যায়ক্রমে গড়ে তোলা হবে পৃথক রাজ্য ‘মাররাম’।

    সূত্র অনুযায়ী, এভাবে বরাকের ভূমি দখল করে মার জনগোষ্ঠীকে ‘মাররাম’ রাজ্য উপহার হিসেবে তুলে দেবার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন সময়ে মিজো উগ্র সংগঠনগুলো বৈঠক করেছে মার জনগোষ্ঠীর জঙ্গি সংগঠন এইচপিসি(ডি)র সঙ্গে। শনিবার রাতে লায়লাপুরে মিজোরামের আইআর ব্যাটালিয়ানের জওয়ানদের পিছু পিছু যারা হামলা চালাতে এসেছিল, তাদের বেশিরভাগই মার জনগোষ্ঠীর লোক। রবিবার মন্ত্রী পরিমল শুক্লবৈদ্য লায়লাপুরে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গেলে স্থানীয় লোকেরাও তাকে এ কথা জানান।
    কালনেমির লঙ্কাভাগের মতো মিজো ও মার উগ্র সংগঠনগুলোর এমন পরিকল্পনা বাস্তবে রূপ দেওয়াটা কতখানি সম্ভব হবে তা চর্চার বিষয় হলেও, এর জেরে কিন্তু প্রতিনিয়তই ভুগতে হচ্ছে বরাকের সীমান্তবর্তী এলাকার লোকেদের। লায়লাপুরের কয়েক কিলোমিটার এলাকা বেশ কিছুদিন ধরেই রয়েছে মিজোদের দখলে। ওইসব এলাকার লোকেরা বাধ্য হয়েছেন বসতবাড়ি ছেড়ে আসতে। যদিও  রাজ্যের রাজনৈতিক ও স্বরাষ্ট্র বিভাগের আয়ুত্ত সচিব জ্ঞানেন্দ্র দেব ত্রিপাঠীকে জিজ্ঞেস করলে তিনি এ নিয়ে কিছু বলতে রাজি হননি। তার কাছে এমন কোনও খবর নেই বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমানে সীমান্তে শান্তি ও সম্প্রীতির পরিবেশ ফিরিয়ে আনাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

    Published:

    Follow TIME8.IN on TWITTER, INSTAGRAM, FACEBOOK and on YOUTUBE to stay in the know with what’s happening in the world around you – in real time

    First published

    ট্ৰেণ্ডিং

    আজি সতী সাধনী দিৱস; জানো আহক সতী সাধনীৰ ইতিহাস

    যিকেইগৰাকী অসমীয়া বীৰাংগনাৰ নাম বুৰঞ্জীৰ বুকুত স্বৰ্ণলিপিৰে খোদিত হৈ আছে তেওঁলোকৰ ভিতৰত এটি অন্যতম নাম সতী সাধনী

    রাজ্যে নবম শ্রেণি থেকে অসমিয়া বাধ্যতামূলক, সেবার বিকল্প গাইডলাইন জারি

    যদি কোনও ছাত্ৰ-ছাত্ৰী অসমীয়া বিষয়টি MIL এবং ঐচ্ছিক বিষয় হিসেবে না নেয়, তাহলে তাকে অতিরিক্ত বিষয় হিসেবে নিতে হবে।এই ক্ষেত্রে পরীক্ষাৰ্থীর মোট ৭ টা বিষয় হবে।

    ডেঙ্গি থেকে পুরো রেহাই! পেঁপে পাতার রস খেয়ে মৃত্যু দু’জনের

    বাড়িতে বানানো পেঁপে পাতার রস খেয়ে মৃত্যু হল ১৮ বছরের কিশোর ও তাঁর ১০ বছরের বোনের। হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন আরও একজন।

    সুপ্রিম কোর্টের ৫০ শতাংশ কর্মীই করোনা আক্রান্ত, বন্ধ হল আদালত

    সোমবার সকালেই জানা গেল, শীর্ষ আদালতের ৫০ শতাংশ কর্মীই নাকি করোনা আক্রান্ত। যার ফলে ঘণ্টাখানেক দেরিতে বসেছে বেঞ্চ। পরে তড়িঘড়ি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে পুরো আদালত চত্বর।

    করোনার ভয় নেই, কুম্ভমেলায় প্রথম শাহি স্নানে পূণ্যার্থীদের ঢল

    সোমবার ছিল প্রথম শাহি স্নান। ভোর থেকেই শুরু হয় স্নান। যখন দেশে করোনা সংক্রমণ বিদ্যুতের গতিতে বাড়ছে তখন কুম্ভমেলার ভিড় চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে স্বাস্থ্য আধিকারিকদের।

    বারুণী স্নানে বরাকের দুই তীরে জনসমুদ্র, শুরু ঐতিহ্যবাহী বারুণী মেলা

    বারুণী স্নান উপলক্ষ্যে প্রতি বছরই জনসমুদ্রের রূপ নেয় বরাক নদীর উভয় তীর অর্থাৎ কাটিগড়ার ঐতিহ্যবাহী বারুণী ময়দান ও অপর তীরের কপিলাশ্রম শিববাড়ি।যার ব্যতিক্রম হয়নি এবারও।

    ১৪ দিনে ভোটের অসমে করোনা সংক্রমণ বেড়েছে ৩৩১ শতাংশ!

    সভা সমিতিতে কোথাও করোনা বিধি মানা হয়নি। প্রচারে নেতা মন্ত্রী থেকে শুরু করে সভায় যোগ দিতে আসা সেই দলের সমর্থকরা, কেউই মাস্ক ব্যবহার করেননি।