28 C
Guwahati
Tuesday, October 4, 2022
More

    মোদির ঢাকা সফরে দ্বিপাক্ষিক উন্নয়নের নতুন দিশা দেখাতে পারে

    ঢাকা, ১৪ মার্চ : সীমান্তের দুপারে সাধারণ মানুষের উন্নয়নে দ্বিপাক্ষিক মৈত্রীকে কাজে লাগাতে চাইছে ভারত ও বাংলাদেশ। তাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আসন্ন বাংলাদেশ সফর উভয় দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে উন্নয়নের নতুন দিশা দেখাতে পারে বলে কূটনৈতিক মহলের ধারনা। মোদির সফরের আগেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উত্তর-পূর্বাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বাংলাদেশের দায়বদ্ধতার কথা বলে বন্ধুত্বকে আরও কার্যকরী করার ইঙ্গিত দিয়েছেন। আসলে মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান ভুলতে নারাজ বাংলাদেশের বর্তমান নেতৃত্ব। ভারতও বাংলাদেশের উন্নয়নে প্রতিবেশীর দায়িত্ব  পালনে বদ্ধ-পরিকর।

    মুক্তিযুদ্ধের সময় নিজেদের জনসংখ্যার থেকেও বেশি শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছিল ত্রিপুরা। গতবার গরমকালে ফেনী নদীর থেকে ত্রিপুরাকে জল তুলতে দিয়ে সেই অবদানের কথা স্মরণ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী হাসিনা। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্ত বাধা-বিপত্তি কাটিয়ে ভারতের প্রতি তিনি সহযোগিতার হাত  বাড়িয়ে দিয়েছেন। স্থলবন্দি ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলের জন্য ট্রানজিট সুবিধা দিয়েছে বাংলাদেশ। যাত্রী ও পণ্য পরিবহণের নতুন দিশা খুলে গিয়েছে। মৌলবাদীদের আপত্তি অগ্রাহ্য করে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে হাসিনা সরকার। ফলে বাংলাদেশের পরিবহণ শিল্পের ব্যাপক উন্নয়নের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ফেণীর ওপর নির্মিত মৈত্রী সেতু সেই উন্নয়নকে আরও সুদৃঢ় করবে। পাশাপাশি উত্তর পূর্ব ভারতেরও যোগাযোগ ব্যবস্থার হবে ব্যাপক উন্নতি। বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দরোজা খুলে যাবে। বাংলাদেশেরও নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নতি হবে। আসলে উভয় দেশই এখন বন্ধুত্বকে সাধারণ মানুষের কল্যাণের কাজে লাগাচ্ছে। বাড়ছে একের অন্যের ওপর আস্থা। পুরনো সমস্যাগুলির সমাধান করে বন্ধুত্বকে কাজে লাগাতে চাইছে আর্থিক শ্রীবৃদ্ধিতে। বাংলাদেশের মাটিতে ভারত বিরোধী সন্ত্রাসী কার্যকলাপের প্রতি জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছিসেন হাসিনা। ভারতও বন্ধুত্বের প্রতি সম্মান জানাতে ২০ লাখ করোনা টিকা উপহার দিয়েছে বাংলাদেশকে। আসলে নিজেদের দেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে বাংলাদেশ  মুক্তিযুদ্ধে  ভারতের অবদান ভুলতে চায়না। বরং বন্ধু ভারতকে সঙ্গে নিয়ে সীমান্তের দু-পাশের মানুষের উন্নয়নে কাজ করতে চায়। ভারতও চায় কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তিতে বাংলাদেশের জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চিন্তাধারায় উভয় দেশের মৈত্রীকে আরও সুদৃঢ় করতে। মোদির আসন্ন বাংলাদেশ সফর সেই দিশাকেই আরও গতিময় করে তুলবে।

    আরো দেখুন : কাটিগড়ায় এবার দুই মহারথীর মুখোমুখি লড়াই, গৌতম-খলিল উভয়েই কোটিপতি

    Published:

    Follow TIME8.IN on TWITTER, INSTAGRAM, FACEBOOK and on YOUTUBE to stay in the know with what’s happening in the world around you – in real time

    First published

    ট্ৰেণ্ডিং