25 C
Guwahati
Thursday, October 6, 2022
More

    মিজো আগ্রাসন প্রতিরোধে জনগণকে হাতে অস্ত্র নিতে বাধ্য করছে সরকার : হুঙ্কার প্রদীপের

    শিলচর, ১৩ এপ্রিল : অসমের সীমান্তে মিজো আগ্রাসন ঠেকাতে অবিলম্বে কার্যকরী ব্যবস্থা নিক রাজ্য তথা কেন্দ্রীয় সরকার। এই আহ্বান জানিয়েছেন বরাক ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের মুখ্য আহ্বায়ক প্রদীপ দত্তরায়। তিনি বলেছেন, রাজ্য তথা কেন্দ্রীয় সরকার যদি বরাক উপত্যকাকে অসমের অঙ্গ বলে মনে করে তবে সীমান্ত আগ্রাসন রোধে অবিলম্বে কার্যকরী ও দৃঢ় পদক্ষেপ নিয়ে তার প্রমাণ দিক । অন্যথায় নিজেদের ভূমির অধিকার রক্ষায় জনগণ যদি এসবের প্রতিরোধে হাতে অস্ত্র তুলে নেন, তবে তার জন্য সম্পূর্ণ দায়ী থাকবে উভয় সরকার।

    সরকার যদি বরাক উপত্যকাকে অসমের অঙ্গ বলে মনে করে তবে সীমান্ত আগ্রাসন রোধে অবিলম্বে কার্যকরী ও দৃঢ় পদক্ষেপ নিয়ে তার প্রমাণ দিক

    এক রেকর্ডেড বার্তায় দত্তরায় জানান, মিজো আগ্রাসীদের দ্বারা সম্প্রতি ধলাই কেন্দ্রের খুলিছড়া অব্দি রাস্তা নির্মাণ ও বন ধ্বংসের ঘটনা নজরে এসেছে। এটা পরিষ্কার যে রাজ্যের নির্বাচনী ব্যস্ততার সুযোগ নিয়ে এইসব দুস্কর্ম চালানো হয়েছে। সীমান্তে দীর্ঘদিন ধরে চলে থাকা মিজো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনও কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়নি সরকার। সম্প্রতি অন্যান্য সংগঠনের সঙ্গে বিডিএফএর এক প্রতিনিধি দল ধলাই সীমান্তে গিয়ে সেখানকার অবস্থা সরেজমিনে দেখে এসেছেন। তাদের বক্তব্য থেকে এটা পরিষ্কার যে আসাম পুলিশ তথা প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার জন্যই কাছাড় জেলায় রাস্তা অব্দি নির্মাণ করতে সক্ষম হয়েছে এইসব দুস্কৃতকারীরা। তিনি বলেন, গত দুই বছর ধরে এইভাবে বারবার আগ্রাসন চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে মিজোরাম সরকারের পরোক্ষ মদতে। দুস্কৃতকারীরা জমি দখল করে চাষ আবাদ নষ্ট করছে, স্থানীয় বাসিন্দাদের উচ্ছেদ করছে, অত্যাচার করছে,  ঘর বাড়ি, রাস্তা ইত্যাদি বানাচ্ছে, অথচ রাজ্য এবং কেন্দ্র সরকার নির্বিকার ভুমিকা পালন করে চলেছে। যেখানে খোদ জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারের সীমান্ত সফরের পরও সমস্যার সমাধান হচ্ছে না, তাই সরকারি তরফে ইচ্ছাকৃত ভাবে ব্যাপারটিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না বলে সন্দেহ হওয়া স্বাভাবিক। পার্শ্ববর্তী অরুণাচল প্রদেশে চিন দ্বারা আগ্রাসন হলে যেখানে সেনাবাহিনী শক্ত পদক্ষেপ নিতে সক্ষম, সেখানে ধলাই সীমান্তে এইসব ক্রমাগত আগ্রাসন প্রমাণ করছে যে হয় অসম সরকার বরাক উপত্যকাকে রাজ্যের অংশ হিসেবে মনে করছে না নতুবা তারা ভাবছে যে এই উপত্যাকা যেহেতু অসম থেকে ভবিষ্যতে বিচ্ছিন্নই হয়ে যাবে ফলে এই ব্যাপারে মাথা ঘামিয়ে লাভ নেই। এসবের মাধ্যমে বরাকের নাগরিকদের ধীরে ধীরে অসম থেকে মানসিক ভাবে বিযুক্ত করে দেওয়া হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন দত্তরায়।

    আরো দেখুন : ১৪ দিনে ভোটের অসমে করোনা সংক্রমণ বেড়েছে ৩৩১ শতাংশ!

    Published:

    Follow TIME8.IN on TWITTER, INSTAGRAM, FACEBOOK and on YOUTUBE to stay in the know with what’s happening in the world around you – in real time

    First published

    ট্ৰেণ্ডিং