19 C
Guwahati
Sunday, April 18, 2021
  • হোম
  • ভিডিও
  • টাইমকাষ্ট
More

    মধ্যপ্রদেশে প্রতারণা করে পালানো জ্যোতিষী ‘খান সাহেব’ শিলচরে ধৃত

    শিলচর, ২৪ ফেব্রুয়ারি : সুদূর মধ্যপ্রদেশের হোসাঙ্গাবাদে প্রতারণা করে পালিয়ে এসে শিলচরে চেম্বার খুলে বসেছিলেন জ্যোতিষী ‘খান সাহেব’। শিলচরে এসে তাকে গ্রেফতার করে নিয়ে গেল মধ্যপ্রদেশ পুলিশ। জ্যোতিষীবাবা ওরফে  রইস মালিক ওরফে নিজাম উদ্দিন ওরফে খানসাহেব পরিচয়ধারী এই প্রতারক জ্যোতিষী উত্তরপ্রদেশ মেরঠের লিসারিগেট এলাকার বাসিন্দা। শিলচরে আসার আগে মধ্যপ্রদেশের হোসাঙ্গাবাদে ছিলেন তিনি। সেখানেও একই ভাবে চেম্বার খুলে চালাতেন জ্যোতিষ চর্চা। ২০২০-এর শেষভাগে সেখানে জ্যোতিষ চর্চার নামে বেশ কিছু লোককে প্রতারণা করে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ। হোসাঙ্গাবাদ থানায় এ নিয়ে ২০২০-এর ২০ নভেম্বর এজাহার দায়ের করেন রক্ষা রাজপুত নামে সেখানকার এক মহিলা। রক্ষা রাজপুত অভিযোগ করেন, জ্যোতিষবাবা পরিচয় দিয়ে দৈনিক ভাস্কর নামে সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন ওই জ্যোতিষী। সেই বিজ্ঞাপন দেখে তিনি  কিছু সমস্যা সমাধানের জন্য  ‘জ্যোতিষবাবা’-র  দ্বারস্থ হলে সমস্যা সমাধানের নামে প্রতারণা করে হাতিয়ে নেন তার বেশকিছু স্বর্ণালংকার ও নগদ ২০ হাজার টাকা। একইভাবে অন্য আরও কয়েকজনকেও তিনি প্রতারণা করেন বলে অভিযোগ। প্রতারণার পর জ্যোতিষ বাবা সেখান থেকে পালিয়ে যান। এরপর দেখা যায় তার মোবাইলেরও সুইচ অফ।

    রক্ষা রাজপুতের এজাহারের ভিত্তিতে তদন্ত চালিয়ে হোসাঙ্গাবাদ পুলিশ বিজ্ঞাপনে উল্লিখিত  তার দুটি মোবাইল নম্বর যাচাই করে দেখে এসব নেওয়া হয়েছে রইস মালিক নামে। মোবাইল নম্বর সংগ্রহের সময় ওই নামে জমা করা হয়েছে জাল ভোটার পরিচয় পত্র, আধার কার্ডও। এসব তথ্য পেয়ে হোসাঙ্গাবাদ পুলিশ আরও তদন্ত চালায়। এতে জানা যায় তার অন্য একটি মোবাইল নম্বর। ওই নম্বরের টাওয়ার লোকেশন থেকে বোঝা যায় শিলচরে তার অবস্থানের কথা। এরপর হোসাঙ্গাবাদ পুলিশ সোমবার শিলচরে এসে স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় শহরের উকিল পট্টির মুখে (সেন্ট্রাল রোডের দিকে) এক বহুতল বাণিজ্যিক ভবনের ত্রিতলে থাকা চেম্বার থেকে গ্রেফতার করে জ্যোতিষীকে। গ্রেফতারের পর আদালতের অনুমতিতে ‘ট্রানজিট রিমান্ড’-এ তাকে নিয়ে মধ্যপ্রদেশের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে যায় হোসাঙ্গাবাদ পুলিশ।
    জ্যোতিষী বাবা শিলচরে এসে ‘খান সাহেব’পরিচয়ে খুলে বসেছিলেন জ্যোতিষ চর্চার চেম্বার। উকিলপট্টির মুখের ওই বহুতল  বাণিজ্যিক ভবনের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, খান সাহেব এখানে চেম্বার খুলে বসেন মাসখানেক আগে। হোসাঙ্গাবাদ পুলিশ জ্যোতিষী বাবার অবস্থান ঘাটতে গিয়ে দেখতে পেয়েছে মাঝে কিছুদিন তিনি ছিলেন আগরতলায়। অনুমান করা হচ্ছে, শিলচরে আসার আগে তিনি গিয়েছিলেন আগরতলায়।হয়তো সেখানেও প্রতারনার পর চলে আসেন শিলচরে। পুলিশ অনূমান করছে শিলচরে চেম্বার খোলার পেছনেও তার উদ্দেশ্য ছিল প্রতারনার ফাঁদ পাতা।

    আরো দেখুন : শিলচর রেলস্টেশনে বসল লিফট, মনুমেন্টাল ফ্ল্যাগের উদ্বোধন

    Published:

    Follow TIME8.IN on TWITTER, INSTAGRAM, FACEBOOK and on YOUTUBE to stay in the know with what’s happening in the world around you – in real time

    First published

    ট্ৰেণ্ডিং

    আজি সতী সাধনী দিৱস; জানো আহক সতী সাধনীৰ ইতিহাস

    যিকেইগৰাকী অসমীয়া বীৰাংগনাৰ নাম বুৰঞ্জীৰ বুকুত স্বৰ্ণলিপিৰে খোদিত হৈ আছে তেওঁলোকৰ ভিতৰত এটি অন্যতম নাম সতী সাধনী

    রাজ্যে নবম শ্রেণি থেকে অসমিয়া বাধ্যতামূলক, সেবার বিকল্প গাইডলাইন জারি

    যদি কোনও ছাত্ৰ-ছাত্ৰী অসমীয়া বিষয়টি MIL এবং ঐচ্ছিক বিষয় হিসেবে না নেয়, তাহলে তাকে অতিরিক্ত বিষয় হিসেবে নিতে হবে।এই ক্ষেত্রে পরীক্ষাৰ্থীর মোট ৭ টা বিষয় হবে।

    ডেঙ্গি থেকে পুরো রেহাই! পেঁপে পাতার রস খেয়ে মৃত্যু দু’জনের

    বাড়িতে বানানো পেঁপে পাতার রস খেয়ে মৃত্যু হল ১৮ বছরের কিশোর ও তাঁর ১০ বছরের বোনের। হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন আরও একজন।

    সুপ্রিম কোর্টের ৫০ শতাংশ কর্মীই করোনা আক্রান্ত, বন্ধ হল আদালত

    সোমবার সকালেই জানা গেল, শীর্ষ আদালতের ৫০ শতাংশ কর্মীই নাকি করোনা আক্রান্ত। যার ফলে ঘণ্টাখানেক দেরিতে বসেছে বেঞ্চ। পরে তড়িঘড়ি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে পুরো আদালত চত্বর।

    করোনার ভয় নেই, কুম্ভমেলায় প্রথম শাহি স্নানে পূণ্যার্থীদের ঢল

    সোমবার ছিল প্রথম শাহি স্নান। ভোর থেকেই শুরু হয় স্নান। যখন দেশে করোনা সংক্রমণ বিদ্যুতের গতিতে বাড়ছে তখন কুম্ভমেলার ভিড় চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে স্বাস্থ্য আধিকারিকদের।

    বারুণী স্নানে বরাকের দুই তীরে জনসমুদ্র, শুরু ঐতিহ্যবাহী বারুণী মেলা

    বারুণী স্নান উপলক্ষ্যে প্রতি বছরই জনসমুদ্রের রূপ নেয় বরাক নদীর উভয় তীর অর্থাৎ কাটিগড়ার ঐতিহ্যবাহী বারুণী ময়দান ও অপর তীরের কপিলাশ্রম শিববাড়ি।যার ব্যতিক্রম হয়নি এবারও।

    ১৪ দিনে ভোটের অসমে করোনা সংক্রমণ বেড়েছে ৩৩১ শতাংশ!

    সভা সমিতিতে কোথাও করোনা বিধি মানা হয়নি। প্রচারে নেতা মন্ত্রী থেকে শুরু করে সভায় যোগ দিতে আসা সেই দলের সমর্থকরা, কেউই মাস্ক ব্যবহার করেননি।