26 C
Guwahati
Saturday, October 1, 2022
More

    ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের বৈঠকে জল বণ্টনের তথ্য আদানপ্রদানে গুরুত্ব

    ঢাকা, ৭ জানুয়ারিঃ বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আলোচিত ছয়টি অভিন্ন নদীর জলবণ্টন কাঠামো চুক্তির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। দুদেশের বৈঠকের শেষ দিনে যৌথ নদী কমিশনের সদস্য পর্যায়ের টেকনিক্যাল কমিটির বৈঠকে কত সময়ের জন্য চুক্তি, নদীর কোন জায়গায় জল পরিমাপ করা হবে এবং কতটুকু জল বণ্টন করা হবে সে নিয়ে আলোচনা হয়। এতে স্থান পায় গোমতী, খোয়াই, ধরলা, দুধকুমার, মনু ও মুহুরি নদীর জল বণ্টন । যৌথ নদী কমিশনের বিশেষজ্ঞ মালিক ফিদা এ খান গণমাধ্যমকে বলেন, শেষদিনের বৈঠকে অনেক এজেন্ডা ছিল। মূল এজেন্ডা ছিল ছয়টি নদীর কাঠামো চুক্তি খসড়া নিয়ে আলোচনা। এটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

    বৈঠকে গঙ্গা-পদ্মা ব্যারাজ করার জন্য যৌথ সমীক্ষা করার বিষয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে টার্মস অফ রেফারেন্স হস্তান্তর করা হয়েছে এবং এ বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয় বলে তিনি জানান। দু’দেশের আলোচনা অত্যন্ত ইতিবাচক হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, চুক্তি করার আগে কিছু বিষয়ে আমাদের সম্মত হতে হবে। তথ্য আদান-প্রদান করতে হবে। নদী থেকে কতটুকু জল প্রত্যাহার করা হচ্ছে সেটি কাঠামো চুক্তির খসড়া করার আগে জানতে হবে। এজন্য আমরা কতটুকু জল ভারত প্রত্যাহার করছে সে তথ্য জানতে চেয়েছি। আমরাও বলেছি, বাংলাদেশের কাছে যে তথ্য আছে সেটি ভারতকে জানাবো। তিনি বলেন, এ মুহূর্তে জল প্রত্যাহার কতটুকু হচ্ছে সেই তথ্যটি আদান-প্রদান হওয়া দরকার। আমরা এই তথ্যের জন্য অনুরোধ করেছি এবং ভারতীয়রা এটি গ্রহণ করেছেন। তারা বলেছেন এই তথ্য আমাদের জানাবেন।

    তিনি আরও বলেন, এছাড়া আলোচনা হয়েছে কত সময়ের জন্য চুক্তিটা হবে, কোন জায়গায় জলের পরিমাপ হবে এবং কতটুকু বণ্টন হবে, এই তিনটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ, যা দুদেশই বুঝতে পেরেছে। এটির ওপর ভিত্তি করে চুক্তি করা হবে। তিস্তার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে সমঝোতা হয়েছে এবং পরবর্তীতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার সেটিতে সমস্যা তৈরি করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, এবারে আমরা চাইছি যেসব রাজ্য জল বণ্টনে জড়িত তারাও এই প্রক্রিয়ায় সঙ্গে জড়িত হোক। তারাও এ বিষয়ে জানবে এবং এর ফলে পরবর্তীতে অন্য ধরনের দুশ্চিন্তা থাকবে না। 

    সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে, ১৯৯৬-এর জানুয়ারি থেকে ২০১৮-এর ডিসেম্বর পর্যন্ত গোমতী, খোয়াই, ধরলা, দুধকুমার, মনু ও মুহুরি নদীর জলপ্রবাহ তথ্যের বিশ্লেষণ রিপোর্ট আদান-প্রদান করা হয়েছে। এই ছয়টি নদী পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও ত্রিপুরা রাজ্য থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। গোটা আলোচনাটি রেকর্ড অফ ডিসকাশনে উল্লেখ থাকবে বলে জানান যৌথ নদী কমিশনের বিশেষজ্ঞ মালিক ফিদা এ খান। বৈঠকে অববাহিকাভিত্তিক ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ২০১১ সালে শীর্ষ বৈঠকে দুই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে জলের উত্তম ব্যবহারের জন্য অববাহিকাভিত্তিক নদী ব্যবস্থাপনার কথা বলা হয়েছে এবং এ বিষয়ে তারাও সম্মত হয়েছেন।

    আরো দেখুন : বিভিন্ন কলেজে তরুণ গগৈ সম্পর্কিত বই দিলেন গৌরব

    Published:

    Follow TIME8.IN on TWITTER, INSTAGRAM, FACEBOOK and on YOUTUBE to stay in the know with what’s happening in the world around you – in real time

    First published

    ট্ৰেণ্ডিং