19 C
Guwahati
Sunday, April 18, 2021
  • হোম
  • ভিডিও
  • টাইমকাষ্ট
More

    বোকাদাদার ঝুলি – ৫

    অভিজিৎ মিত্র

    সেই যে গোবর দেশ, যার গল্প অ্যাদ্দিন বলে এসেছি, আজ সেখানকার দু’বোনের গল্প শোনাব। ঠিক দু’বোনের নয়, এটা তাদের স্বামীদের গল্প। কিন্তু কথায় আছে না, সংসার সুখের হয় রমনীর গুণে, তাই বোনেদের কথাই গল্পের শুরুতে বলে নেওয়া যাক। সীতা আর নীতা। এই গল্পের ঝকঝকে দু’বোন। দু’জনেই হবুর খুব প্রিয়। আর তাদের স্বামীরাও হবুর খুব কাছের মানুষ। সীতা বইয়ের পাতায় মিশে থাকে আর নীতা ঝাঁ-চকচকে ফিটনগাড়ি নিয়ে ঘুরে বেড়ায়, ছেলেদের সঙ্গে ডাংগুলি খেলে। সীতার বর রামো আর নীতার বর ঘ্যাঁঘো। ঘ্যাঁঘোর কথা তো আগেই বলেছি। সে এখন গোবর দেশের বাঘ নিয়ে খুব ব্যস্ত। বাঘবাহাদুর হবে বলে। তো, এই ফাঁকে আমরা রামোর ব্যাপারস্যাপার একটু দেখে নিই।

    রামো লোকটা নিপাট ভালোমানুষ। কিছু অসভ্য বাঁদর ছোকরার পাল্লায় পড়ে একবার দক্ষিণমুখো হয়ে মোষরাজ্য পেরিয়ে যুদ্ধু যুদ্ধু খেলা খেলেছিল বটে, এবং সেটাও সীতা কিডন্যাপিং কেস সল্‌ভ করতে গিয়ে, কিন্তু আদপে সে ঠিক যুদ্ধের মেটেরিয়াল নয়। গদির ওপর বসে ডানহাত তথাস্তুর ভঙ্গিতে রেখে হাসিখুশি মুখে লোকেদের সঙ্গে খোশগল্প করলেই তার দিন কেটে যায়, অন্য কিছুর দরকার হয় না। তাও এসব বহুযুগ আগের কথা। গদি থেকে নেমে রামো সেই যে বহুযুগ আগে বইয়ের পাতায় মিশে গেছে, আর কেউ তাকে টেনে বের করতে পারে নি। পাক্কা বুক-ওয়ার্ম। কিন্তু রামোর ব্র্যান্ড ভালু অসাধারন। তার ব্লু-ব্লাড। সেজন্য যুগ যুগ ধরে সবাই তাকে ভগবানের পারমানেন্ট পোস্টে বসিয়ে রেখেছে। রামো ভলান্টিয়ারি রিটায়ারমেন্ট নিয়ে বইয়ের পাতায় মিশে গেলেও আজো গোবরদেশে এই কালচার বদলায়নি, রামো এখনও অনির্দিষ্ট সমাকলনের ধ্রুবক হয়ে পারমানেন্ট পোস্টে ভগবান ব্র্যান্ড হয়ে রয়ে গেছে। ঘ্যাঁঘোর ক্ষেত্রেও খানিকটা এই কথা খাটে। তার ব্লু-ব্লাড নেই এটা ঠিক, কিন্তু বানিভাইয়ের ছেলে হিসেবে অনেক নিচে শুরু করেও এই মুহুর্তে গোটা পৃথিবীতে প্রথম পাঁচজন ব্যবসাদারের নাম উঠলে ঘ্যাঁঘোর নাম আসবেই। গোবরদেশে এই মুহুর্তে ব্যবসার ‘ঘানি নাম্বার ওয়ান’ ব্র্যান্ড।   

    আর এই ব্র্যান্ড ভ্যালু ব্যাপারটাই হবু দ্বিতীয়বার সিংহাসনে বসে এক ইশারায় বুঝে গেছিল। পেয়াদা দিয়ে সারাজীবন শাসন করা যায় না। ‘ক্যা ক্যা ছি ছি নাড়ছি নাড়ছি…’ এসব চুলকুনিও সাময়িক। মহামারীর ভয় দেখিয়ে পাবলিককে বেশিদিন ঘরে আটকে রাখা যায় না। ফলে গোবরদেশে সিংহাসনে থাকতে গেলে ধর্ম আর ব্যবসা, এই দুই ব্র্যান্ড আঁকড়ে ধরে থাকতে হবে। ধর্মকে সামনে রেখে ব্যবসা করলে কেউ মুখ খোলার সাহস পাবে না। মহিলাদের এগিয়ে আনতে হবে। আর জনগনকে ঠুঁটো করে ক্ষমতাহীন ইজ্জত দিতে হবে। আর কিছু রক্তারক্তি সিন। ব্যস্‌, হবু সেই রাত্তিরে ঘুমিয়ে স্বপ্নের মাঝে পেয়ে গেল শোলে সিনেমার সুপারহিট ফর্মুলা। জয়ের ভূমিকায় রামো। মানুষের ভালর জন্য দুটো হেডওয়ালা কয়েন পকেটে নিয়ে ঘুরবে, নিজে সব কিছু বলিদান দেবে, জনগনের মনের রাজা হিসেবে ফিনিশ করবে আর সুড়ুৎ করে অতীতের পাতায় ঢুকে যাবে। বিরুর পার্ট করবে ঘ্যাঁঘো। মাথায় বুদ্ধি আছে, দুষ্টুবুদ্ধি আরো বেশি, উচ্চাকাঙ্খী, সুযোগসন্ধানী, অন্যের মাল নিজের পকেটে ঢোকাতে দ্বিধাবোধ করে না। এতই উচ্চাকাঙ্খী যে লোক দেখিয়ে সিঁড়ি বেয়ে খোলা ট্যাঙ্কে উঠে ‘গাঁওবালো…’ বলে ভাষন দিতে কোন লজ্জা করবে না। বেঁচে থেকে মোহর উপভোগ করবে। ঘ্যাঁঘোই আইডিয়াল বিরু। নীতাকে বাসন্তির রোলে রাখাই যায়। একটা ডাংগুলি টিমের মালিক বানিয়ে দিলে বাকি কথা-নাচ-গান, সব ও নিজেই বুঝে নেবে। রাধার রোলে মুখচোরা সীতা বেস্ট ফিট। ঐ রোলে এমনিও কিছু ডায়লগ নেই, মুখ বুজে থাকলেই হবে। মাটিতে দু’চারবার মাথা ঠুকে সবার থেকে একটু সহানুভূতি আদায় করতে পারলেই হল। রামোর সঙ্গে সীতার মিল কখনোই সম্ভব নয়, সীতা সেই মাটির মানুষ হয়ে আর রামো ক্যালেন্ডার হয়ে দেওয়ালে ঝুলবে। শুধু এদের চুপচাপ ত্যাগ মানুষের মনে গেঁথে দিতে হবে। ঠাকুরসাহেব হল গোবরদেশের জনগন। হাত নেই। ক্ষমতা নেই। রামো আর ঘ্যাঁঘোর ওপর আশা ভরসা নিয়েই বেঁচে আছে। তবে পা আছে। মহামারী হলে সেই শক্ত পায়ে হাজার বারশো মাইল পথ পেরিয়ে অনায়াসে চলে আসতে পারে। পেটে ক্ষিদে থাকলেও দু’চোখে ভাল থাকার স্বপ্ন নিয়ে জনগন মনের জোরে বেঁচে থাকবে। রামোর জয়গান গাইবে, রামোর পূজো করবে। ঘ্যাঁঘোর সামনে গিয়ে ‘মাঈবাপ’ বলে কাজ চাইবে। বুঝবেও না ঘ্যাঁঘো তাদের রক্ত জল করেই তাদের টাকা দিচ্ছে, নিজের পকেটেও পুরছে। আর এদের সবার মাঝে একটা গব্বর দরকার। হবু মনে মনে হাসে। এত প্রতিবেশী রাজার সঙ্গে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলে আর মিথ্যে বলে হবুর অ্যাদ্দিনের অভ্যেস, তার আবার গব্বরের অভাব! কটা গব্বর লাগবে? ঠাকুরসাহেব যত গব্বর চাইবে, তত এনে দেবে। শোলেতে একটা আহমেদের লাশ আর এক ইমামসাহেবের কান্নায় সবাই গব্বরকে ভিলেন মানল, তাহলে চিবুর সীমানায় বা পাকিরার জঙ্গি আক্রমনে রোজ গোবরদেশের যত পেয়াদার লাশ আসে, সেগুলো সামনে এনে রাখলে কি হবে? হবুর মনে রোমাঞ্চ জাগে। শোলেতে একটাই শুধু মশলা পড়েনি। জনগনের নিজেদের ভেতর মারামারি লাগিয়ে চুপচাপ বসে মজা দেখা। এখানে সেটাও রাখতে হবে। উত্তর-পূর্বের ধেমালি প্রদেশ দিয়ে টেস্টিং শুরু হবে। লোকেদের ভেতর ৭১, ৫১, ১৪…এইসব উৎপটাং কিছু সংখ্যা ছেড়ে দিয়ে সামনে খুড়োর-কলে নাগরিকত্বর গাজর ঝুলিয়ে ওদের মাথা গুলিয়ে দিতে হবে। শুরু হবে নিজেদের ভেতর লড়াই। তারপর সেই গাজর একে একে ঝোলাতে হবে বাকি সব রাজ্যেও। ‘অব আয়েগা মজা খেল মে, বহুত মজা…’। ব্যস্‌, এই সুপারহিট কম্বিনেশন খেটে গেলে সুর্মা ভোপালি হিসেবে রামো-ঘ্যাঁঘোকে দু’হাতে নিয়ে হবু আগামি পাঁচ বছর সিংহাসনে থাকবেই। হ্যাঁ, জেলর হিসেবে একজন মার্কামারা কমিক চরিত্র লাগবে। সেজন্য হবু প্রথম থেকেই চুলুলুলুকে ভেবে রেখেছে।

    তবে এই সিনেমায় প্রথমে দিতে হবে সুড়সুড়ি। ঠাকুরসাহেবকে সুড়সুড়ি দিতে হবে। হাত না থাকলে মাথা কম কাজ করে, সেই ফায়দা তুলে জনগনকে সুড়সুড়ি দিয়ে সিনেমা শুরু। রামোকে বইয়ের পাতা থেকে তুলে এনে ঘুমচোখে সেঁটে দিতে হবে প্রতি দেওয়ালে। তারপর শুরু হবে ভজন। সর্ষে তেলের মত ভক্তিরসে চুবিয়ে দিতে হবে সবাইকে। যাতে চোখের সামনে রামোকে সবাই দেখতে পায়। মগজ প্রক্ষালক যন্ত্রে মাথার ভেতর বাকি সব ডিলিট করে দিয়ে শুধু ধর্ম আর ভক্তির ক্যাসেট বাজাতে হবে। রামো মহামারী তাড়াতেই এই সিনেমায় এসেছে, এই ধারনা ঢুকিয়ে দিতে হবে। সঙ্গে বিধর্মী গব্বরের ধার্মিক রামোকে সরিয়ে দেবার পরিকল্পনা। এরপর বাড়ি-বসা কাজ-হারানো জনগন গড়গড় করে মুখস্তর মত বাকিটা নিজেরাই বলবে। তারাই হবুকে বলবে অস্ত্র কিনে গব্বরকে মেরে ফেলতে। ঘ্যাঁঘোকে সামনে দাঁড় করিয়ে হবু ঘ্যাঁঘোর হাতে একের পর এক মোহর দিয়ে যাবে, জনগন উৎসাহে দেখবে, কিছু বলবে না। কেউ যদি হঠাৎ কোন প্রশ্ন তোলে, তাহলে রামোর নামে ওদের ভেতর মারামারি লাগিয়ে দিতে হবে। নাহলে খুড়োর কলে গাজর ঝুলিয়ে। অথবা রামু পাকা ‘লঙ্কা’র ফর্মূলা কাজে লাগিয়ে হান্ডিভাষা দিয়ে জনগনকে টুকরো টুকরো করে দিতে হবে। বাকিটা ওরা আর দেখবে না, নিজেদের ভেতর কিল-চড়-ঘুঁষি নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যাবে। সেই মওকায় সব কাজ ঝটপট সেরে ফেলতে হবে। সিংহাসন বাঁধার সব তোড়জোড়। ঘ্যাঁঘো যখন মোহর হাতে হবুর সিংহাসনের পায়াগুলো শক্ত করে বাঁধছে, তখন রামোকে আবার বইয়ের পাতায় ঢুকিয়ে পরের সিন।

    রামোর আত্মত্যাগ। রামোর থাকার জন্য মন্দির সমান বাড়ি চাই। সেটা হলেই রামোর আশির্বাদে মহামারী শেষ। সেইদিন হবে সবার মগজ-ধোলাই দেওয়া স্বাধীনতার দিন। লালমুখো খেদানো ইতিহাসের স্বাধীনতা ভুলে গেলেও চলবে। সঙ্গে ধূপ ধূনো, সারা এলাকা জুড়ে ভক্তিরসের উঁচু গান – রামো রামো, রামো রামো। আর ধর্মের মাদক। তারপর? কোথায় মহামারী, কোথায় ক্ষিদে, কোথায় চাকরির হাহাকার? তখন শুধুই রামো-রামো আর রামোর বাড়ির ফেমাস ভিত তৈরির ইঁট-বালি-সিমেন্ট।  

    সিনেমার মাঝে মাঝে কিছু সুপারহিট গান লাগবে – ‘আও বাচ্চো তুমহে সিখায়ে…’ ‘অ্যায় দিল-এ নাদান…’ ‘জানেওয়ালে জরা মুড়কে দেখো মুঝে…’ ‘সর যো তেরা চকরায়ে য়া দিল ডুবা যায়ে…’ ‘আজ এই দিনটাকে মনের খাতায় লিখে রাখো…’। প্রথম দুটো রামোর লিপে, পরের দুটো ঘ্যাঁঘোর লিপে। শেষ গানটা হবু নিজেই গাইবে, রামোর বাড়ির ইঁট গাঁথার দিন। এইচ-এম-ভি স্টুডিওয় রেকর্ডিং – হবু গলা কাঁপিয়ে গাইছে, পেছনে অসংখ্য শেয়ালের কোরাস। হ্যাপি এন্ডিং।      

    ফাটাফাটি মশলা। দারুন অভিনয়। নেপথ্যে প্রতি পাঁচ মিনিটে একবার করে ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক ‘গোলমাল হ্যায় ভাই সব গোলমাল…’। হবুর দুর্দান্ত ডিরেকশন। আর রামো ব্র্যান্ড দেখে ভক্ত জনগনের ফান্ডিং। গোবরদেশের শোলে এখন ঝোলে ঝালে অম্বলে। হবু এই পুরো সিনেমার পর ভেবে রেখেছে রামো আর ঘ্যাঁঘোকে দুটো জাতীয় পুরস্কার দেবে – ‘যার্ধনতার্ধন্নয়’ আর ‘নেপোমার্দই’। রামো যেভাবে বইয়ের পাতার ভেতর বসেও এই সিনেমা হিট করে হবুকে সিংহাসনে ফিট করে দিল, আর ঘ্যাঁঘো যেভাবে এত অভিনয়ের মাঝেও দুধের সর খেয়ে চলে গেল, দুটোই প্রশংসার যোগ্য। অবশ্য সবার ওপরে রয়েছে হবুর এক্স-রে চোখ আর মগজ প্রক্ষালক যন্ত্র।

    শোনা যায়, এই সিনেমার পরেও সীতা আর নীতা আগের মতই সংসার করছে। সীতা আগের মতই মাটির দিকে চেয়ে বইয়ের পাতায় উদাস মিশে থাকে আর নীতা নীল-সাদা পোষাক পরে ডাংগুলি দলের সর্দার হয়ে একসাথে ১১ টা ধান্নু ছোটায়। তবে সবথেকে উন্নতি হয়েছে হবুর। হবু মহাকাব্য লিখতে শুরু করেছে। ধর্ম, নাগরিকত্ব আর ভাষা নিয়ে তিনটে চ্যাপ্টার লেখা হয়েও গেছে। সবশেষ পাওয়া খবর অনু্যায়ী, হবুকে সমস্ত দেশবাসী আদর করে ‘গোবর-ধন’ উপাধি দিয়েছে। হবুকে সন্মান দেখিয়ে অঙ্কে ‘ল-সা-গু’ ‘গ-সা-গু’ র পর ‘হ-সা-গু’ নামক এক নিয়ম চালু হয়েছে। তবে জিনিষটা ঠিক কি আর কোথায় কাজে লাগে, সেটা বলা যাবে না।

    ‘গোবরদেশের কথা অমৃতি সমান/ বোকাদাদা লিখে রাখে, বোঝে বুদ্ধিমান’।

    (এটা গোবরদেশের চুপকথার গল্প। ছেলে ভোলানোর জন্য বয়স্করা এসব বলে থাকে। কেউ যদি এর সঙ্গে কারো মিল খুঁজে পান, সেটা নেহাতই কাকতালীয়)

    Published:

    Follow TIME8.IN on TWITTER, INSTAGRAM, FACEBOOK and on YOUTUBE to stay in the know with what’s happening in the world around you – in real time

    First published

    ট্ৰেণ্ডিং

    আজি সতী সাধনী দিৱস; জানো আহক সতী সাধনীৰ ইতিহাস

    যিকেইগৰাকী অসমীয়া বীৰাংগনাৰ নাম বুৰঞ্জীৰ বুকুত স্বৰ্ণলিপিৰে খোদিত হৈ আছে তেওঁলোকৰ ভিতৰত এটি অন্যতম নাম সতী সাধনী

    রাজ্যে নবম শ্রেণি থেকে অসমিয়া বাধ্যতামূলক, সেবার বিকল্প গাইডলাইন জারি

    যদি কোনও ছাত্ৰ-ছাত্ৰী অসমীয়া বিষয়টি MIL এবং ঐচ্ছিক বিষয় হিসেবে না নেয়, তাহলে তাকে অতিরিক্ত বিষয় হিসেবে নিতে হবে।এই ক্ষেত্রে পরীক্ষাৰ্থীর মোট ৭ টা বিষয় হবে।

    ডেঙ্গি থেকে পুরো রেহাই! পেঁপে পাতার রস খেয়ে মৃত্যু দু’জনের

    বাড়িতে বানানো পেঁপে পাতার রস খেয়ে মৃত্যু হল ১৮ বছরের কিশোর ও তাঁর ১০ বছরের বোনের। হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন আরও একজন।

    সুপ্রিম কোর্টের ৫০ শতাংশ কর্মীই করোনা আক্রান্ত, বন্ধ হল আদালত

    সোমবার সকালেই জানা গেল, শীর্ষ আদালতের ৫০ শতাংশ কর্মীই নাকি করোনা আক্রান্ত। যার ফলে ঘণ্টাখানেক দেরিতে বসেছে বেঞ্চ। পরে তড়িঘড়ি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে পুরো আদালত চত্বর।

    করোনার ভয় নেই, কুম্ভমেলায় প্রথম শাহি স্নানে পূণ্যার্থীদের ঢল

    সোমবার ছিল প্রথম শাহি স্নান। ভোর থেকেই শুরু হয় স্নান। যখন দেশে করোনা সংক্রমণ বিদ্যুতের গতিতে বাড়ছে তখন কুম্ভমেলার ভিড় চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে স্বাস্থ্য আধিকারিকদের।

    বারুণী স্নানে বরাকের দুই তীরে জনসমুদ্র, শুরু ঐতিহ্যবাহী বারুণী মেলা

    বারুণী স্নান উপলক্ষ্যে প্রতি বছরই জনসমুদ্রের রূপ নেয় বরাক নদীর উভয় তীর অর্থাৎ কাটিগড়ার ঐতিহ্যবাহী বারুণী ময়দান ও অপর তীরের কপিলাশ্রম শিববাড়ি।যার ব্যতিক্রম হয়নি এবারও।

    ১৪ দিনে ভোটের অসমে করোনা সংক্রমণ বেড়েছে ৩৩১ শতাংশ!

    সভা সমিতিতে কোথাও করোনা বিধি মানা হয়নি। প্রচারে নেতা মন্ত্রী থেকে শুরু করে সভায় যোগ দিতে আসা সেই দলের সমর্থকরা, কেউই মাস্ক ব্যবহার করেননি।