29 C
Guwahati
Sunday, October 2, 2022
More

    বাংলাদেশে বুদ্ধিজীবী অভিজিৎ হত্যায় ৫ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড

    নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকাঃ বাংলাদেশের বিজ্ঞানমনষ্ক লেখক ও বুদ্ধিজীবী অভিজিৎ রায় হত্যায় ৫ জনের ফাসির আদেশ দিয়েছে আদালত। রায় ঘোষণাকালে ‘আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে হত্যা করতেই জঙ্গিরা অভিজিৎকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে।’ এদিন ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।  পাঁচ বছর আগে ২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত সোয়া ৯টা। অনিদূরে চলছে প্রাণের একুশে বইমেলা।  মেলা শেষ হতে আর দুই দিন বাকী। এ অবস্থায় বেশ জমজামাট মেলা। সেখানে বন্ধুদের সঙ্গে সস্ত্রীক সময় কাটিয়ে ফিরছিলেন অভিজিৎ রায়। দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার। অভিজিৎ সস্ত্রীক বইমেলা ঘুরে বের হয়ে সোহরাওয়ার্দি উদ্যানের গেট পিরিয়ে রাস্তায় পা রাখতেই হঠাৎ পেছন থেকে অতর্কিতে তার ওপর ধারালো অস্ত্রদিয়ে আঘাত করতে থাকে জঙ্গিরা।  এতে অভিজিৎ ও স্ত্রী রাফিদা আহমেদ বন্যা গুরুতর জখম হন। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হলে, রাত ১০টার দিকে মারা যান অভিজিৎ। গুরুতর আহত বন্যা দীর্ঘ চিকিৎসার পর সেরে ওঠেন। অভিতের বাবা বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অজয় রায় ২৭ ফেব্রুয়ারি শাহবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। ২০১৯ সালের ১৩ মার্চ ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনসারীর আদালতে ৬জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম। মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হচ্ছে, মেজর (চাকরিচ্যুত) সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হক ওরফে জিয়া, মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন (সাংগঠনিক নাম শাহরিয়ার), আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব ওরফে সাজিদ ওরফে শাহাব, আকরাম হোসেন ওরফে আবির, মো. আরাফাত রহমান ও শফিউর রহমান ফারাবি। এদের মধ্যে জিয়াউল হক ওরফে জিয়া ও আকরাম হোসেন ওরফে আবির শুরু থেকেই পলাতক।

    Published:

    Follow TIME8.IN on TWITTER, INSTAGRAM, FACEBOOK and on YOUTUBE to stay in the know with what’s happening in the world around you – in real time

    First published

    ট্ৰেণ্ডিং