26 C
Guwahati
Wednesday, October 5, 2022
More

    করোনা আবহে শিলচরে এসে বিপাকে ত্রিপুরার পরিযায়ী শ্রমিকরা

    করোনা আবহে শিলচরে এসে বিপাকে ত্রিপুরার পরিযায়ী শ্রমিকরা

    শিলচর, ১৩ মে : শিলচরে এসে বিপাকে পড়েছেন ত্রিপুরা আমবাসার বাসিন্দা একদল পরিযায়ী শ্রমিক। দলটিতে রয়েছেন ভোট ২১ জন। এরমধ্যে ১৬ জন এসেছেন মিজোরামের কনপুই থেকে। অন্য ৫ জন ঠিকাদারের সঙ্গে হিসেব-নিকেশ শেষ করে মিজোরাম থেকে আসা ১৬ জনকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য এসেছেন শিলচরে। কিন্তু এখানে এসে বিপাকে পড়ে গেছেন তারাও। ২১ জনের দলে থাকা ধনঞ্জয় ত্রিপুরা, শর্মজয় ত্রিপুরারা জানান, তাদের মধ্যে ১৬ জন কয়েকমাস ধরে এক ঠিকাদারের অধীনে কাজ করছিলেন মিজোরামের কনপুইয়ে। ওই ঠিকাদার মূলত পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা হলেও থাকেন শিলচরে।

    করোনা পরিস্থিতিতে মিজোরামে কাজের জায়গায় টিকে থাকা মুশকিল হয়ে পড়েছিল তাদের কাছে। ঠিকাদারের কাছে তাদের পাওনা রয়েছে পারিশ্রমিকের প্রায় পুরো টাকাই। মিজোরামে কর্মস্থলে অবস্থা সঙ্গীন হয়ে পড়ায় তারা যোগাযোগ করেন ঠিকাদার ও আমবাসায় থাকা পরিজনদের সঙ্গে। এতে দিন চারেক আগে পাঁচজন অভিভাবক আমবাসা থেকে শিলচরে এসে পৌঁছান। উদ্দেশ্য ছিল ঠিকাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ১৬ জন শ্রমিকের পাওনা বুঝে নেওয়া সহ তাদের ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা। কিন্তু শিলচরে আসার পর ঠিকাদারের তরফে তেমন সাড়া পাননি। এই  পাঁচজন ছিলেন শ্রীকোনা বাংলাঘাট এলাকায় এক লজে। সঙ্গে থাকা টাকা কড়ি শেষ হয়ে যাওয়ায় বুধবার সকালের দিকে লজের মালিক তাদের বের করে দেন।  এই অবস্থায় তারা বারবার ফোনে যোগাযোগ করতে থাকেন ঠিকাদারের সঙ্গে। দুপুরের দিকে ঠিকাদার ক্যাপিটাল ট্রাভেলস মোড়ের কাছে তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে মাত্র একহাজার টাকা ধরিয়ে দিয়ে সরে যান। এসবের মাঝেই বিকেলের দিকে শিলচরে এসে পৌঁছান সেই ১৬ জন শ্রমিক। এতে সমস্যা বেড়ে যায় আরও। মিজোরামে দীর্ঘপথ জঙ্গলে জঙ্গলে হেঁটে এরপর এক গাড়ি চালককে অনুরোধ করে নামমাত্র ভাড়া দিয়ে শিলচরে আসা এই ১৬ জনের পকেটেও ছিল না কানাকড়ি।

    উপায়ান্তর হয়ে সবাই উদ্দেশ্যবিহীন ভাবে ঘুরে বেড়াতে থাকেন শিলচর শহরের রাস্তায়। শেষ পর্যন্ত কেউ একজন বুদ্ধি দেন সদর থানায় হাজির হতে। শ্রমিকরা থানায় হাজির হওয়ার খবর পেয়ে রাতের দিকে ঠিকাদার তাদের সঙ্গে ফের সাক্ষাৎ করেন। তবে ঠিকাদার প্রাপ্য পুরো টাকা মিটিয়ে দিতে রাজি হচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন শ্রমিকরা। শ্রমিকদের কথায়, ঠিকাদার তাদের যে পরিমাণ টাকা দিতে চাইছেন, তাতে বাড়ি গিয়ে দিনগুজরান তো দূর, বাড়িতে পৌঁছানোর ব্যয় মেটানোও হয়তো সম্ভব হবে না।

    আরো দেখুন : ঈদ-উল ফিতর কাল, করোনা আবহে এবারও বাতিল ঈদের জামাত

    Published:

    Follow TIME8.IN on TWITTER, INSTAGRAM, FACEBOOK and on YOUTUBE to stay in the know with what’s happening in the world around you – in real time

    First published

    ট্ৰেণ্ডিং