32 C
Guwahati
Saturday, October 16, 2021
More

    করিমগঞ্জে নিখোঁজ যুবতীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, খুনের অভিযোগ মায়ের

    শুক্রবার থেকে নিখোজ মেয়ে।দুশ্চিন্তায় অভিবাবকরা।নিখোজের দু-দিন পর শেষ পর্যন্ত পাশের বাড়ীর ছাউনিবিহীন পাকাগৃহের ‘ভীমে’ জুলন্ত অবস্থায় নিখোজ হওয়া প্রায় বছর ১৬-র যুবতীর লাশ উদ্ধার।এ নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য বিরাজ করছে উত্তর করিমগঞ্জের জাতুয়া গ্রামে।অপরহণকারীর নাম ও ঠিকানা প্রকাশ্যে আনলেন নিহত যুবতীর মা,। আত্মহত্যা নয়, মেয়েকে হত্যা  করে  মরদেহ ঝুলিয়ে  আত্নহত্যার রূপ দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে  মায়ের অভিযোগ। লাশ প্রথমে প্রত্যক্ষ করেন  পাশ দিয়ে যাওয়া এক কৃষক। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর করিমগঞ্জের পুরাহুরিয়া জিপির জাতুয়া গ্রামে ।রবিবার  সকাল থেকে যুবতীর রহস্যজনকভাবে ঝুলন্ত মরদেহ প্রত্যক্ষ করতে  ভিড় করেন পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন গ্রামের আমজনতা। খবর দেওয়া হয় করিমগঞ্জ সদর পুলিশে। যুবতীর মা  পুলিশ ও সংবাদমাধ্যমে জানান, মেয়ে ইমরানা বেগম,  গত ৭ তারিখ শুক্রবার থেকে নিখোঁজ। পিতা আতিকুর রহমান পেশায় রিকশা চালক। মা গ্রামে গঞ্জে ভিক্ষা করে  কোনমতে সংসার চালান। মেয়ে নিখোঁজ হওয়া সত্ত্বেও অর্থের অভাবে পুলিশের দারস্থ হতে পারেননি।  তবে এলাকার নাককাপন গ্রামের রজব আলীর পুত্র রাহেল নামে এক যুবকের মোবাইল থেকে  ফোন আসে। সে জানায় তাদের মেয়ে তার সাথেই আছে।এমন কি মেয়ে মায়ের সাথেও  কথাবার্তাও বলেছে। শনিবার দিনেও ফোনে আলাপ  হলেও শনিবার রাত থেকে আর  মেয়ের সাথে যোগাযোগ হয়নি বলেন তিনি। রাহেলের কাছে ফোন করলে সে বাজারে আছে বলে জানায়। ফের এদিন সকালে মেয়ের লাশ পউদ্ধারের  পূর্বে  রাহেলের মোবাইলে ফোন করলে মেয়েটিকে বাড়িতে পৌছে দিতে গাড়িতে তুলে দিয়েছে বলে জানায়। কিছুক্ষন পরে  জীবিত নয় মৃত অবস্থায় দেখতে পান অভিভাবক সহ গ্রামবাসী। এদিকে করিমগঞ্জ পুলিশ যখন লম তদন্ত চালাচ্ছেন, ঠিক সেই মুহূর্তে   ইনরানা বাড়ি পৌঁছেছে কি না রাহেলের মোবাইল থেকে রহস্যজনক ভাবে ফোন আসে মেয়ের পরিবারের নিকট। বিবরণে প্রকাশ রবিবার   সকালে কৃষি কাজ সেরে সকাল আটটা নাগাদ এক কৃষক  যখন বাড়ি ফিরছেন তখন ঝুলন্ত লাশ  তার চোখে পড়ে। চিৎকার শুনে ছুটে আসেন  মেয়ের অভিবাবক সহ গ্রামবাসী। মেয়ের বাড়ি  থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে একটি জনশূন্য  বাড়ীর ছাউনি বিহীন ঘরের ‘ভীমে’ মেয়েটির ঝুলন্ত লাশ রয়েছে দেখতে পান । ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন করিমগঞ্জ সদর থানার ওসি সহ সি আর পি এফ বাহিনী । ঘটনাস্থলে উপস্তিত হন বিধায়ক কমলাক্ষ দে, পুরাহুরিয়া জিপি সভাপতি ইসফাক আহমদ চৌধুরী,জেলা পরিষদ সদস্যার প্রতিনিধি বজলুল চৌধুরী.।পুলিশ নিহত মেয়ের মায়ের বক্তব্য রেকর্ড করে মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য  করিমগঞ্জ সিভিল হাসপাতালে পাঠিয়েছে।হত্যাকান্ড না আত্মহত্যা এ নিয়ে পুলিশ তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।নিহত পরিবারের সঙ্গে দেখা করে সান্তনা দেন বিধায়ক, খুন প্রমানিত হলে দোষীদের বিরুদ্বে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দেন বিধায়ক। 

    Published:

    Follow TIME8.IN on TWITTER, INSTAGRAM, FACEBOOK and on YOUTUBE to stay in the know with what’s happening in the world around you – in real time

    First published

    ট্ৰেণ্ডিং